• শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফ্রি ফায়ার গেম নিয়ে ছুরিকাঘাত দুই জন আটক

Reporter Name / ২৭৬ Time View
Update : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১


মোবাইল ভিডিও গেম ফ্রি ফায়ারের আইডি হ্যাক করা নিয়ে ঝামেলায় আপন ফুফাতো ভাইকে ছুরিকাঘাত করেছে মামাতো ভাই। গত শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বাতেন খাঁর মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আহতের মামা ও মামাতো ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। ছুরিকাঘাতে আহত সজল মাহমুদ (১৪) চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আরামবাগের সাবের আলীর ছেলে। আটককৃতরা হলেন, আরামবাগ এলাকার সজিব (১৫) ও তার পিতা কায়েনাত আলী মন্ডল।
প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্র জানা যায়, ফ্রি ফায়ার গেমের আইডি হ্যাক করা নিয়ে ঈদের দুই দিন আগে থেকে মামাতো-ফুফাতো ভাইয়ের মধ্যে ঝামেলা চলছিলো। নিজেদের আইডি হ্যাক নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করতে করতে মনমালিন্য হয় তাদের মাঝে। এমনকি দুই দিন আগে সজল মাহমুদ মামাতো ভাই সজিবকে মারধর করে। এর প্রতিশোধ হিসেবে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সজিব ফুফাতো ভাই সজলের পিঠে ছুরি মারে। এসময় সজলের মামা কায়েনাতও তাকে মারধর করে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা। বাতেন খাঁর মোড়ে দাঁড়িয়ে থেকে পুরো ঘটনা দেখেছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পাঠানপাড়া মহল্লার শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ছুরি মারার সাথে সাথেই প্রচুর পরিমানে রক্ত ঝরছিল। ঘটনাস্থলেই লকডাউনের ডিউটিরত পুলিশ সদস্যরা ছুরিকাঘাতকারীকে দৌড়ে আটক করেছে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত কিশোরকে উদ্বার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে জানতে পারলাম ছেলেটির পিঠে ৭টি সেলাই হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. রাজু মুঠোফোনে বলেন, ছুরির আঘাত নিয়ে এক কিশোরকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য নিয়ে আসা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের কারনে অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে চিকিৎসা না দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছিল। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক জালাল উদ্দীন জানান, আহত কিশোরকে হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ-রামেক হাসপাতালে রেফার্ড করে। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের কারনে পরিবারের সদস্যরা রামেক হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে জেলা শহরের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা দিচ্ছেন। এসআই জালাল উদ্দীন আরও জানান, ঘটনার সাথে সাথে ছুরিকাহতকারী ও তার বাবাকে আটক করা হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত তারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং এই সময় পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি। যেহেতু তাদের পারিবারিক বিষয়, সেহেতু আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এসে যা বলবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category